বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

আনবিক

আজ্ঞে বেড়ালের ভাগ্যেও সিকে ছেঁড়ে। যদিও কস্মিনকালে কেউ আমাকে বেড়ালের সঙ্গে তুলনা করেনি। বরং গতর দেখে হাতি টাতি.... যাকগে সে যাই হোক, কুলোকে কুকথা কইতেই পারে,আর সে কুকথা শুনতেও হয়। তা মশায় কুকথা শুনতে যখন পারেন (পস্টো দেকচি আপনি আমারই মত অনুভূতিহীন হয়ে পড়েচেন), তখন পড়তেও নিশ্চই পারেন। 

দুটি মানুষের ক্রমাগত সাহায্য, অনুপ্রেরনা (ঘাড় ধরে বানান ঠিক করিয়েছে সুধী পাঠক, এমত অত্যাচার ইশকুলেও...) ছাড়া এ বই কখনো দিনের আলো দেখতো না। তাঁরা হলেন কবি ও লেখক আমার ভাতৃপ্রতিম শ্রী সুদীপ্ত বন্ধ্যোপাধ্যায়। আর একজন হলেন কথোপকথন প্রোডাকসন্সের তরফে প্রকাশক শ্রী অভিষেক ঘোষ। এ বইয়ের ৯৯ ভাগ কৃতিত্ব ওনাদেরই। সুদীপ্ত এই বইয়ের যে মুখবন্ধটি লিখে দিয়েছেন তার জন্যে আমি ওনার কাছে চিরকৃতজ্ঞ (কয়েকজন পাঠকের মতে ওইটিই বইটির সবচেয়ে সুখপাঠ্য অংশ)৷ 

যাঁরা উৎসাহী বইটি সংগ্রহ করতে, বইমেলা চলা কালীন ১৩১ নম্বর স্টলে ঢুঁ মারতে পারেন। আর যাঁদের পক্ষে সেটি সম্ভব না, তাঁরা +917044006788 এই নম্বরে whatsapp মারফত যোগাযোগ করতে পারেন। ডাকযোগে বইটি পেয়ে যাবেন। 

পরিশেষে জানাই, এই ব্লগের নিয়মিত পাঠক পাঠিকাদের কাছেও আমি চিরকৃতজ্ঞ।তাঁরা নিয়মিত পড়ে এবং উৎসাহ দিয়েছেন বলেই কলম (কি বোর্ড) চলেছে। ইদানিং কম লিখছি পাঁচ ঝামেলায় জড়িয়ে। তবে কথা দিচ্ছি ২০২০ তে কয়েকটি বড় লেখা এখানে দেখতে পাবেন নিশ্চিত ভাবে।  

ভাল থাকবেন সুধী পাঠক। 

1 টি মন্তব্য:

  1. পড়া শেষ। উল্লাট ব্যাপার। কোনটা সবথেকে ভালো বলা খুব মুশকিল, বলার দরকারও ছিলো না। তবু, "পত্রলেখার লেখা" টা অনেক গভীরে ছুঁলো। আর, টেকনিকালি যদি ধরি, এবং ঝটকা যাকে বলে, সেদিক থেকে "চতুর্থ" টা জাস্ট নাড়িয়ে দিয়ে গেল!

    এই আর কি! পড়ব অনেকবার, সঙ্গেই রইল, একলা মনের সাথী।

    তবে, এই বইয়ে "ফুলমতি" কে মিস করলাম একটু। তবে যাক, পড়া আছে, সুতরাং ঘ্যানঘ্যান, করব না। 😀

    উত্তরমুছুন